মা আর শিশুর দোকান

আজকাল ঢাকায় এমন কিছু দোকান গড়ে উঠেছে, যেখানে শুধু মা ও শিশুর প্রয়োজনীয় সামগ্রী পাওয়া যায়। এসব দোকানে বিক্রি ভালো, লাভও অনেক। হাতে কিছু পুঁজি থাকলে নিজ এলাকায় এমন একটি দোকান দিতে পারেন আপনিও।

বিশেষায়িত এ দোকানে শুধুই মা ও শিশুর প্রয়োজনীয় সব উপকরণ পাওয়া যাবে। প্রথমদিকে দোকানে বেশি দামের পণ্য না রাখাই ভালো। এতে পুঁজি কম লাগবে। যেসব পণ্য রাখবেনতার মধ্যে শিশুদের ট্রলিট্রাভেল ব্যাগপরিধেয়প্রসাধনীফ্লাস্কফিডারপানির পট। এ ছাড়া রাখতে পারেন বই-খাতা-কলমখেলনাদুধশিশু খাবারনিপলনোস ক্লিনার ড্রপার ইত্যাদি। আর মায়ের জন্য দোকানে থাকতে পারে প্রসবকালীন ও প্রসব-পরবর্তী প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রগর্ভবতী মায়েদের বিশেষ পরিধেয়টাম্বলার বেল্টখাবারচপ্পল ইত্যাদি।

যেভাবে শুরু করবেন
প্রথমেই জায়গা লাগবে। সেই সঙ্গে লাগবে দোকানের একটি সুন্দর নাম। এরপর লাগবে ট্রেড লাইসেন্সসাইনবোর্ডভিজিটিং কার্ডপ্যাডদোকানের নামসহ শপিং ব্যাগ ইত্যাদি। দোকানের সাজ-সজ্জা যত সুন্দর হবেক্রেতাও তত বেশি আসবে। দোকানের সাজ-সজ্জা এমন হবে যেন পণ্যগুলো শেলফে থাকে থাকে সাজানো যায়। আর অভিজ্ঞতার জন্য ঢাকায় গড়ে উঠেছে এমন সব দোকানের উদ্যোক্তাদের সঙ্গেও যোগাযোগ করতে পারেন।

কোথা থেকে কিনবেন
পাইকারিভাবে এসব পণ্য কিনতে যেতে পারেন ঢাকার চকবাজারে। এখানকার ফজলু করপোরেশন এসব পণ্যই বিক্রি করে। এ ছাড়া চকবাজারেই আরো কিছু দোকান আছেএকটু খোঁজ নিলেই পেয়ে যাবেন।

আয় কেমন
পাইকারি বাজার থেকে একটা ফিডারের দাম পড়বে ৭০ টাকাবিক্রি করা যাবে ১২০ টাকা। নিপল ১২ টাকাবিক্রি ২০ টাকাওয়াকার ১২০০ টাকাবিক্রি হয় এক হাজার ৮০০ থেকে দুই হাজার ২০০ টাকা। প্রসাধনীতে লাভ একটু কম। তবে গড়ে মোট বিক্রির ওপর ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ লাভ থাকে।

তবে শুরু হোক
পরামর্শ প্রয়োজন হলে চকবাজারের ফজলু ট্রেডিং‘, শান্তিনগরের চিল্ড্রেন অ্যান্ড মম শপ‘, রামপুরা চৌধুরীপাড়ার কিউ ফার্মাসির‘ সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন। স্বত্বাধিকারীর সঙ্গে যোগাযোগ করে ইচ্ছা করলে এসব দোকানে একদিন বসে থেকেও অভিজ্ঞতা নিতে পারেন। প্রয়োজনে নিউ মার্কেটের দোকানগুলোতে যোগাযোগ করেও দেখে নিতে পারেন

Written By
More from uddoktahub

এই শীতে ভ্যান-এ শাকসবজি বিক্রি হতে পারে ব্যবসা

বিক্রেতারা ভ্যান-এ করে প্রয়োজনীয় শাকসবজি মানুষের বাড়ি বাড়ি নিয়ে বিক্রি করে। এর...
বিস্তারিত পড়ুন...

Leave a Reply