ব্যবসা যখন মৎস্য চাষ

ভূমিকা : গ্রামের অনেক নারী শাক-সবজির পাশাপাশি মৎস্য চাষ করে। মৎস্য চাষ ছোট হলেও অনেক সাফল্য ইতিমধ্যে অর্জিত হয়েছে। পুকুরে তিন মাসের মধ্যে বড় হয় এরকম মাছের চাষ করে,পারিবারিক চাহিদা পূরণ করছে। অর্থনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ জলজ জীব, যেমন মাছ, চিংড়ি, সামুদ্রিক আগাছা, কাঁকড়া ইত্যাদি সামগ্রিকভাবে মৎস্য সম্পদ বলে। প্রাকৃতিকভাবে বাংলাদেশে প্রচুর জলাশয়, খাল বিল, হাওড় বাওড়, নদীনালা বিদ্যমান যেখান থেকে আমরা প্রায় সারা বৎসর পর্যাপ্ত পরিমাণ মাছ পেয়ে আসছি এবং যা আমাদের প্রাণীজ প্রোটিনের চাহিদা পূরনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। কিন্তু আমাদের দেশের দ্রুত বর্ধণশীল জনসংখ্যার প্রোটিনের চাহিদা পূরণ করার জন্য মাছের বর্তমান উৎপাদনকে আরো অনেক বৃদ্ধি করতে হবে। এর জন্য প্রয়োজন ছোট বড়, মজা-উর্বর, পতিত সব জলাশয়ের সঠিক ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে মাছ চাষের আওতায় আনা। অথচ শুধুমাত্র সচেতনতার অভাবে কিংবা উপযুক্ত জ্ঞান, দক্ষতা, তথ্য ও প্রযুক্তির অভাবে আমাদের সব জলাশয়কে মাছ চাষের আওতায় আনা যাচ্ছে না। আবার চাষের পুকুরে যথাযথ ব্যবস্থাপনা ও দক্ষতার অভাবে এবং আহরণ পরবর্তী ব্যবস্থাপনার দূর্বলতার কারণে খামারীরা প্রায়ই ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

অর্থনৈতিকভাবে গুরুত্বপ‚র্ণ জলজ জীব (যেমন মাছ, চিংড়ি, সামুদ্রিক আগাছা, কাঁকড়া) এর চাষ যার একটি একক বা যৌথ মালিকানা থাকবে এবং সে বা তাহারা নিয়মিত মজুদকরণ, লালন পালন, খাদ্য প্রয়োগ, শত্রুর হাত থেকে রক্ষা করবে এবং লালন পালন শেষে এর আহরণ করবে।

চাষের প্রকারভেদ
মজুদকৃত প্রজাতি ও এর ধরনের উপর ভিত্তি করে মৎস্য চাষ কে সাধারণত: তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যেমন:

একক চাষ
মিশ্র চাষ
সমন্বিত চাষ

স্থান/পুকুর নির্বাচন/পুকুর খনন

মাছ চাষের সাফল্য বহুলাংশে নির্ভর করে স্থান নির্বাচনের উপর। সেজন্য মাছ চাষের জন্য প্রয়োজনীয় ভৌত-রাসায়নিক ও জৈবিক সুযোগ সুবিধা নির্বাচিত স্থানে গ্রহণযোগ্য মাত্রায় আছে কি-না তা স্থান নির্বাচন/পুকুর খনন করার সময় যথাযথভাবে বিবেচনা করা দরকার। নির্বাচিত চাষ পদ্ধতির উপর ভিত্তি করে স্থান/পুকুর নির্বাচনে বিবেচ্য বিষয়গুলো আলাদা আলাদা হয়ে থাকে। তাছাড়া ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি নির্ধারণ ও ব্যবস্থাপনার সুবিধার্তে পুকুরের আকার ও আয়তন কেমন হবে তা নির্ভর করে।

স্থান/পুকুর নির্বাচন/পুকুর খনন করার সময় নিম্নলিখিত বিষয়গুলো বিবেচনা করা দরকার:

বন্যামুক্ত ও উঁচু এলাকা।
মাটির গুণাগুণ যেমন মাটির ধরণ সাধারনত: বেলে দোআঁশ, পানি ধারণক্ষমতা ভাল, পিএইচ মাত্রা গ্রহণযোগ্য
পানির গুণাগুণ যেমন পানির জৈবিক ও রাসায়নিক গুণাগুণ যেমন- বিদ্যমান খাদ্যকণা, বিভিন্ন অণুজীব, প্রয়োজনীয় খণিজ, পিএইচ মাত্রা ইত্যাদি গ্রহণযোগ্য মাত্রায় বিদ্যমান।
ভৌত অবকাঠামো ও সুযোগ সুবিধা (যেমন পুকুরের পাড় মজবুত, পানি সরবরাহ ও নিষাশন ব্যবস্থা ভাল, যাতায়াত ও যোগাযোগ ব্যবস্থা ভাল, নিরাপত্তা ব্যবস্থা ভাল)।
ব্যবস্থাপনার সুবিধার্থে পুকুরের আকার সাধারণত আয়তাকার এবং মজুদ পুকুরের আয়তন ১-১.৫ একর (১০০-১৫০ শতাংশ) হলে ভাল।

পুকুর প্রস্তুতি

পুরাতন পুকুরকে মাছ চাষের উপযোগী করার জন্য পুকুর পানি নিষ্কাশন, তলদেশের পঁচা কাদা সরিয়ে ফেলা, চুন প্রয়োগ, সার প্রয়োগ, পুনরায় পানি প্রবেশ করানো, পোনা মজুদকরণ ইত্যাদি কাজগুলো পর্যায়ক্রমে অনুসরণ করতে হবে। পুকুর শুকানো সম্ভব না হলে পুকুরের আগাছা ভালভাবে পরিষ্কার করা, অবাঞ্চিত প্রজাতি দরকরা, চুন, সার প্রয়োগ করা, পোনা মজুদ করা ইত্যাদি কাজগুলো পর্যায়ক্রমে করতে হবে।

পোনা নির্বাচন, মজুদ ও পরিচর্যা

নির্বাচিত প্রজাতির পোনা মজুদ করার সময় বিবেচ্য বিষয়গুলো হলো যে হ্যাচারি থেকে পোনা কেনা হবে সেখানে ভাল ও পরিপক্ক ব্রুড থেকে পোনা উৎপাদন করা হয়েছে কি-না, পোনা সবল না দূর্বল, পোনার সাইজ কেমন ইত্যাদি। দূরবর্তী স্থানে পোনা পরিবহন করার সময় অক্রিজেন সহ পলিথিন ব্যাগে পরিবহন করতে হবে। পোনা ক্রয় করার পূর্বে নিশ্চিত হতে হবে যে মজুদ পুকুর সঠিকভাবে প্রস্তুত করা হয়েছে। পোনা মজুদের পুকুর আয়তনে ছোট (২০-৩০ শতাংশ) ও সদর জায়গায় (চোখের সামনে) হলে ব্যবস্থাপনা ও পরিচর্যা করতে সহজ হয়।

লালন পালন পুকুরে মজুদ ও ব্যবস্থাপনা

নার্সারী পুকুরে লালন পালন শেষে পোনাগুলোকে মজুদ পুকুরে নিতে হয় যেখানে মাছগুলোকে বিক্রি উপযোগী করা হয়। মাছের বৃদ্ধি ত্বরান্বিত করার জন্য এই পুকুরে নিয়মিত চুন, সার, মাছের সম্পরক খাবার প্রয়োগ করা হয়ে থাকে। মাঝে মাঝে নমুনা মাছ ধরে স্বাস্থ্য ও বৃদ্ধি পরীক্ষা করা হয়, কোন রোগবালাই দেখা দিলে তার যথাযথ প্রতিকার/প্রতিষেধক ব্যবস্থা নেয়া হয় এবং লালন পালন শেষে মাছ আহরণ করা হয়।

মজুদ পরবর্তী পরিচর্যা

মজুদকৃত পুকুরে নিয়মিত চুন, সার প্রয়োগ, প্রাকৃতিক খাদ্যের উপস্থিতি পরীক্ষা করা অথবা মাছকে নিয়মিত সম্পূরক খাদ্য প্রয়োগ, মাছের বৃদ্ধি হার পরীক্ষা করা, পুকুরের পাড় ও পুকুরের ভেতরের আগাছা পরিষ্কার করা, শত্র“র হাত থেকে রক্ষা করা ইত্যাদি।

মাছ আহরণ ও বাজারজাতকরণ

মাছ বড় হলে/বিক্রির উপযোগী হলে বাজার মূল্য যাচাই বাছাই করে/ক্রেতা নির্বাচন ও মূল্য স্থির করে, মাছ আহরণ করতে হবে। আহরণ শেষে পুকুর ভালভাবে প্রস্তুত করে পুনরায় পোনা মজুদ করতে হবে।

মাছ চাষে আয়-ব্যয় হিসেব

বাণিজ্যিক ভাবে মাছ চাষের ক্ষেত্রে অবশ্যই মাছ হিসেব করে পুকুরে মজুদ করতে হবে এবং আহরণের সময় কত সংখ্যক মাছ আহরণ করা হলো তাও হিসেব করতে হবে। আর দ্রুত মাছের বৃদ্ধি নিশ্চিত করতে হলে ও অধিক লাভবান হতে হলে নিয়মিত সম্পূরক খাদ্য প্রয়োগ করতে হবে।

সুত্র: http://www.somewhereinblog.net/

সুত্র: http://www.teletathya.com/fisheries.php

কেস স্টাডি:

ফুলছড়িসাঘাটার নারীদের ভাসমান খাঁচায় মাছ চাষে ভাগ্য বদল

ভাসমান খাঁচায় মাছ চাষ শুরু করেছে গাইবান্ধার ফুলছড়ি ও সাঘাটা উপজেলার নারীরা। মাছ চাষ করে ২০০ নারী বাড়তি আয়ের মুখ দেখছেন। ফলে তাদের ওই আয় ফিরিয়ে আনছে সংসারের সচ্ছলতা। দুই উপজেলার পাঁচ ইউনিয়নের আট গ্রামে ওই পদ্ধতিতে মাছ চাষ করা হচ্ছে। সরেজমিন দেখা গেছে, ফুলছড়ি উপজেলার গজারিয়া ইউনিয়নের কাতলামারি, কঞ্চিপাড়া ইউনিয়নের ভাড়ারদহ, উড়িয়া ইউনিয়নের মধ্য উড়িয়া, রতনপুর এবং সাঘাটা উপজেলার সাঘাটা, হাসিলকান্দি, সাথালীয়া ও ভরতখালী ইউনিয়নের সাংকিভাঙ্গা এলাকার প্রায় ২০০ পরিবারের মধ্যে প্রত্যককে দুটি করে খাঁচা ও ৬০০ করে মনোসেক্স তেলাপিয়া পোনা দেয়া হয়েছে। প্রতিটি খাঁচায় প্রায় ৩০০টি করে পোনা ছাড়া হয়েছে। খাঁচাগুলো তৈরি করা হয়েছে বাঁশ, প্লাটিকের সুতলী ও জাল দিয়ে। পানিতে ভেসে থাকার জন্য ব্যবহার করা হয়েছে ফেলে দেয়া খালি প্লাস্টিক বোতল। সাধারণত প্রতিটি পোনা ৩ মাস পর ২০০ গ্রাম ওজনের মাছে পরিণত হয়। বর্তমানে এ জাতের মাছ বাজারে বিক্রি হচ্ছে ১২০ থেকে ১৪০ টাকা কেজি দরে। ওই ২০০ হতদরিদ্র মহিলাকে প্রশিক্ষণ প্রদান শেষে এককালীন প্রদান করা হয়েছে ৪০০টি খাঁচা। ফুলছড়ি উপজেলার গজারিয়া ইউনিয়নের কাতলামারি মৎস্য দলের ২৬ জন মহিলা ৫২টি খাঁচায় পুকুরের পানিতে মনোসেক্স তেলাপিয়া মাছ চাষ করছে। সংগঠিত ওই নারী দলের সভাপতি আরতি রানী দাশ জানান, খাঁচায় যে মাছ চাষ করা যায়, তা আমরা এ প্রথম বুঝলাম ও শিখলাম। খাঁচায় মাছ চাষ করে আমরা খুব আনন্দ পাচ্ছি। এতে আমাদের তেমন কষ্টও করতে হয় না। দিনে দু একবার এসে মাছকে খাদ্য দিতে হয়। বাড়ির খাবারের উচ্ছিষ্টগুলোই সাধারণত খাদ্য হিসেবে ব্যবহার করা হয়। তিনি আরও জানান, এতে সংসারের অন্যান্য কাজে কোন বিঘ্ন ঘটে না। সাঘাটা উপজেলার হাসিলকান্দি গ্রামের ভাসমান খাঁচার মাছচাষি রমিছা বেওয়া এবিনিউজকে জানান, আমরা গরীব মানুষ, আমাদের জমি নেই, পুকুরও নেই। আমাদের সব সময় মাছ কিনে খাবার সাধ্য নেই। তাই নদী বা পুকুরে খাঁচায় মাছ চাষ করে যাচ্ছি। এ যেন আমাদের গরীবের ফ্রিজ। যখন খুশি তখন মাছ ধরে এনে খাওয়া যায়।

ফুলছড়ি ও সাঘাটা উপজেলায় প্রথমবারের মত এ প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে স্থানীয় একটি এনজিও। এলাকার ভূমিহীন, প্রান্তিক ও ক্ষুদ্রচাষীদের বিভিন্ন ক্ষেত্রে কারিগরি সহায়তা, প্রশিক্ষণ ও মৎস্য উপকরণ সরবরাহ করে মাছের উৎপাদন বৃদ্ধির পাশাপাশি হতদরিদ্র মহিলাদের আয়বর্ধন করার লক্ষ্যে প্রকল্পটি কাজ করে যাচ্ছে। ওই প্রজেক্টের কর্মী মাহফুজুর রহমান সমকালকে জানান, প্রযুক্তিটি মৎস্য মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে সারাদেশে ছড়িয়ে দিলে লক্ষ লক্ষ ভূমিহীন মানুষ মাছ উৎপাদন করে নিজেদের চাহিদা পূরণের পাশাপাশি দেশের আমিষের চাহিদা মিটিয়ে নিজেরা অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হবে। এ প্রসঙ্গে সাঘাটা উপজেলা ভারপ্রাপ্ত মৎস্য কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান এবিনিউজকে বলেন, এ উপজেলায় ভাসমান খাচায় মৎস্য চাষে আগ্রহী হয়ে উঠেছেন নারীরা। আগ্রহী মৎস্য চাষিদের উপযুক্ত প্রশিক্ষণ দেয়া হচ্ছে এনজিও ও মৎস্য অফিস থেকে। এতে চাষিরা বেশ সাফল্য অর্জন করছে। ফুলছড়ি উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা বরুণ চন্দ্র সরকার জানান, দেশে হাজার হাজার খাল, বিল, নদী ও প্লাবন ভূমিতে এ পদ্ধতিতে মাছ চাষ করে মাছের চাহিদা অনেকাংশে পূরণ করা সম্ভব। এ পদ্ধতিতে মাছ চাষে জনগণকে উদ্বুদ্ধকরণে মৎস্য বিভাগ সার্বিক সহযোগিতা করবে। দরিদ্র মানুষ এ প্রযুক্তি ব্যবহার করে স্বাবলম্বী ও পরিবারের পুষ্টি চাহিদা সহজেই পূরণ করতে পারবে।
সুত্র: http://abnews24.com/old/newsdetails/10/6230

একই সঙ্গে ধান মাছ ও সবজি চাষ

ব্র্র্যাক সারকাব প্রকল্পের উদ্যোগে বটিয়াধাটা উপজেলার কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করে একই জমির ধান ক্ষেতে মাছ ও সবজি চাষ শুরু হয়েছে। পরীক্ষামূলকভাবে হাটবাটী, হেতালবুনিয়া ও ফুলতলা গ্রামের ১০ জন চাষী সারকাব থেকে অনুদান পেয়ে ২০ একর জমিতে এ পদ্ধতিতে চাষ করেন। তারা প্রত্যেকে এ মৌসুমে এক একর জমির চারদিকে বেড়িবাঁধ তৈরি করে প্রথমে ধান চাষ এবং তার ভিতর মাছের পোনা ছাড়েন। পরে বেড়িবাঁধের উপর বিভিন্ন সবজির চাষ করেন। অনুদান প্রদানের মাধ্যমে সারকাব প্রকল্প ফসল ফলিয়ে সফলতা আনতে সক্ষম হওয়ায় শত শত কৃষক এ পদ্ধতি গ্রহণ করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। হাটবাটী গ্রামের পারুল মিস্ত্রী, শিলা মণ্ডল, তরুণ মণ্ডল, পরিমল মণ্ডল, হেতালবুনিয়ার নির্মল বৈরাগী, মমতা বৈরগী, সবিতা বৈরাগী, ফুলতলা গ্রামের মলিনা ইজারাদার, ন্যায়পাল গোলদার ও কৃষ্ণপদ মণ্ডল জানান, তারা অতীতে শুধু আমন ধান চাষ করে সারা বছর জমি ফেলে রাখতেন। এখন জমিতে ধান মাছ ও সবজি চাষের কারণে বাড়তি আয় করা সম্ভব হচ্ছে। এক একর জমিতে ধানের বীজ ক্রয়ের জন্য ১ হাজার ৬শ’, সবজি বীজের জন্য ৬৬০ টাকা ও মাছের পোনা ক্রয় বাবদ ১২ হাজার টাকা ব্র্যাকের সারকাব প্রকল্প থেকে অনুদান দেয়। দশজন কৃষক মোট ১ লাখ ২০ হাজার টাকা অনুদান পেয়ে নারীপুরুষ সম্মিলিতভাবে ক্ষেতে খামারে কাজ করেন। তারা নিজেরা চাষাবাদ করে খোরাকি ধান ঘরে তুলেছেন। মাছ বিক্রয় করে প্রাপ্ত অর্থ দিয়ে সংসারের অন্যান্য খরচ মেটায়। উৎপাদিত সবজি নিজেরা খাওয়া ছাড়াও বাজারে বিক্রয় করেন। তারা সমপ্রতি একটি উঠান বৈঠকে নিজেদের মূল্যায়ন করতে গিয়ে বলেন, চাষাবাদ বাবদ খরচ করা অর্থ উত্তোলনের পরেও বেশ কিছু টাকা লাভ হয়েছে। উঠান বৈঠকে বটিয়াঘাটা প্রেসক্লাবের সভাপতি শেখ আব্দুল হামিদ, কৃষি কর্মকর্তা বুদ্ধদেব সেন, উপসহকারী মৎস্য কর্মকর্তা বাদল কৃষ্ণ রায়সহ অনেকেই সকল কৃষকের ভুয়সী প্রসংশা করেন। ব্র্যাকের কৃষি ও খাদ্য নিরাপত্তা প্রকল্পের মাধ্যমে মোট ৩২২ জন কৃষককে ১৬০ একর জমিতে উচ্চ ফলনশীল এইচ ওয়াই ভি ৪১ জাতের ধান চাষের জন্য একর প্রতি ৮ হাজার টাকা অনুদান হিসেবে প্রদান করা হয়।
সুত্র: http://www.brac.net/dbr/?p=3071

সংগৃহীত ও সংকলিত
তথ্য:
তথ্য আপা প্রকল্প

Written By
More from uddoktahub

তাঁতের দোকান

ভুমিকা নিজ এলাকায় এমন একটি দোকান দিতে পারেন, যেখানে থাকবে তাতের তৈরি...
বিস্তারিত পড়ুন...

Leave a Reply