মৌসুমী ফল রাজশাহীর/চাঁপাই এর আমের বিজনেস!

আধুনিক প্রযুক্তিতে বিশ্বের অন্যতম অবদান হল ঘরে বসে অনলাইনের মাধ্যমে পণ্য ক্রয় করা । সারা বিশ্বের মত বর্তমানে বাংলাদেশেও ই-কমার্স বিজনেস বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। দোকানে বা শপিং মলে না গিয়ে, নিজের পছন্দ মত পণ্য ঘরে বসে কিনতে অনেকে স্বাচ্ছ্যন্দবোধ করে। এতে সময় এবং শ্রম বেচে যায় তার সাথে ভালো মানের পণ্য টাও পাওয়া যায়। ই-কমার্স বিজনেসের জনপ্রিয়তার এটি অন্যতম কারণ বলতে পারেন। আজ আমি আলোচনা করব কিভাবে আপনি ঘরে বসে ই মৌসুমী ফল রাজশাহীর আমের বিজনেস করতে পারবেন। প্রথমেই বলে রাখি ‘বিজনেস করা শেখানো যাবে কিন্তু বিজনেস করার কৌশল শেখানো সম্ভব নয়’
কিভাবে শুরু করবেনঃ-
প্রথমে নিজে নিজে ই সিদ্ধান্ত নিন যে আপনি এই মৌসুমে আমের বিজনেস করবেন। হাতে কিছু টাকা নিয়ে নিন (কত টাকা নিয়ে নিবেন তা আপনার কাস্টমার কেমন জোগার করতে পারবেন তার উপর ডিপেন্ড করবে)। তারপড় খোঁজ নিন রাজশাহীর/চাঁপাই এর আম হোলসেল রেটে কারা বিক্রয় করছে এবার।(তাদের সর্ম্পকে জানার চেষ্টা করুন। তাদের সাথে সরাসরি ফোনে কথা বলুন। এবং এখানে আপনার জ্ঞানের কৌশল খাটান। তারা সত্যি কি বিজনেস করছে নাকি বাটপারি করবে। এটা আপনাকে যাচাই করে নিতে হবে।)
সব ঠিক-ঠাক থাকলে তাদের সাথে ফাইনালী কথা বলে নিন। যে কবে থেকে আম পাবো, কি ভাবে, পেমেন্ট কিভাবে, কোন ক্ষয়-ক্ষতি হলে, সার্পোট কেমন পাবো ইত্যাদি আলাপ করে নিবেন। তারপড় শুরু করে দিবেন কাস্টমার জোগার করা। কে কে রাজশাহীর/চাঁপাই এর আম কিনবে তাদের সাথে ডিল করুন (সর্ম্পন্ন পেমেন্ট নিয়ে নিতে পারলে আপনার ই ভাল)।
যাদের কাছ থেকে আম নিবেন তাদের সাথে যোগাযোগ রাখবেন + কাস্টমার জোগার করতে থাকুন। যে দিন আমের সিপমেন্ট আসবে তার ১ দিন আগে অর্ডার এবং টাকা পেমেন্ট করে দিন।(মনে রাখবেন আপনি যতটুকু কাস্টমার জোগার করতে পারবেন ততটুকু ই অর্ডার করবেন কারন আম ১ সপ্তাহের বেশি আপনি রাখতে পারবেন না)
১দিন কি ২ দিন পরে ই আপনি কুরিয়ার সার্ভিস থেকে আম গুলো সংগ্রহ করে নিয়ে ঐ দিন ই কাস্টমারদের হাতে পৌছে দিবেন(গাছ থেকে পেরে কাঁচা আম পাঠাবে আপনাকে So কাস্টমারের হাতে পৌছে যখন দিবেন তখন তারা আম গুলো ৩/৪ দিন রেখে খেতে পারবে।)
সবশেষে কাস্টমারের ফিডব্যাক নিন এবং পরবর্তি জাতের আম সর্ম্পকে কাস্টমার কে জানান যেন সে পরবর্তি জাতের আম ও ক্রয় করে। এই তো হয়ে গেল…
লাভঃ- হোলসেল রেটে আম কিনে আপনি কেজি প্রতি ১০ থেকে ১৫ টাকা বেশি বিক্রয় করতে পারবেন (তবে আপনি যদি আরো বেশি লাভে বিক্রয় করতে পাড়েন তাহলে তা আপনা ই লাভ। কাস্টমার কিন্তু নষ্ট করা যাবে না শুধু এটা মনে রাখবেন)
লসঃ- বিজনেসে লাভ লস এই ২টো থাকবে ই তবে % কম কিনবা বেশি। যাদের কাছ থেকে আপনি আম কিনবেন তাদের ১০০% ফ্রেন্ডলী সার্পোট যদি আপনি পান তাহলে লাভ/সফলতা ৯৯% নিশ্চিত। তাদের সাথে বন্ধু সূলভ সর্ম্পক গড়ে তুলুন এবং সব সময় তাদের উপর নজর রাখুন।

আর কি বলবো বিজনেস করে নিন এবারের আমের মৌসুমে…

Written By
More from uddoktahub

অনলাইল শপ শুরু করবেন যেভাবে

অনলাইন শপ করার কথা অনেক দিন ধরে হয়তো মাথায় রেখেছেন কিন্তু কিভাবে...
বিস্তারিত পড়ুন...

Leave a Reply